Successful Blog

ইসলামে বিয়ের সাজসজ্জা কেমন হওয়া উচিত?

আমাদের সমাজে বিয়ে উপলক্ষে বর ও কনে আকর্ষণীয় পোশাকে সাজে। বর মাথায় সুসজ্জিত টুপি পরে, মুখে হাত রুমাল দেয়, গলায় মালা পারানো হয় ইত্যাদি। অনুরূপভাবে কনেকেও নানা অলঙ্কার ও সুন্দর পোশাক দ্বারা সাজানো হয়। এগুলো সামাজিক প্রথা। ইসলামের সামাজিক প্রথাকে সমর্থন করা হয় যতক্ষণ না তা শরীয়তের বিরুদ্ধে যায়। যেমন, বরের জন্য রেশমি কাপড় পরা, খুব টাইট-ফিট জামা (যাতে উঠবস করতে কষ্ট হয়), টাখনুর নিচে পায়জামা/প্যান্ট পরা, স্বর্ণের ব্রেসলেট, ঘড়ি ব্যবহার, হাতে-পায়ে মেহদী পরা ইত্যাদি জায়েয নাই। কারণ ইসলামে পুরুষদের জন্য এগুলো নিষিদ্ধ। এ জাতীয় নিষিদ্ধ বিষয়গুলো ছাড়া বর বিয়ে উপলক্ষে সামাজিক প্রথা হিসেবে যে কোন পোশাক ও সজ্জা গ্রহণ করতে পরতে পারে। এতে শরঈ কোন সমস্যা নেই।
ঠিক তদ্রূপ, মহিলাদের জন্যও নানা অলঙ্কার পরিধান ও সাজ-সজ্জা করা, সুন্দর শাড়ি/পোশাক পরিধান করায় কোন দোষ নেই। তবে এস সৌন্দর্য পর পুরুষদের সামনে প্রকাশ করা বৈধ নয়।

আমাদের সমাজে প্রচলিত রয়েছে যে, বিয়ের পর বিয়ের আসরে একটা স্টেজে বর-কনেকে একসাথে বসিয়ে রাখা হয়, কনে পূর্ণ সাজসজ্জা সহকারে হালকা ঘোমটা টেনে মুখ খুলে সবার সামনে বসে থাকে আর সর্বশ্রেণীর মানুষ তাদেরকে দেখে, ছবি তোলে, বর বা কনের নিকটাত্মীয় নন মাহরাম পুরুষরা অনেক সময় কনের শরীরে হাত দেয়, তার সাথে নানা দুষ্টামি করে….ইসলামী শরীয়তে এগুলো সম্পূর্ণ হারাম। এছাড়াও হিন্দুয়ানী ও শরীয়া বিরোধী নানা প্রথা সমাজে প্রচলিত রয়েছে। মুসলিমদেরকে অবশ্যই এ সব কুপ্রথা ও ইসলামী সংস্কৃতি বিরোধী কার্যক্রম থেকে দূরে সরে হবে এবং হালাল পন্থা বিয়েকে আনন্দময় করে তুলতে হবে।
আল্লাহ তাআলা অজ্ঞদেরকে দ্বীনের জ্ঞান দান করুন এবং সব ধরণের অপসংস্কৃতি ও শরীয়া বিরোধী কার্যক্রম থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience. learn more